আস্থায় বাংলা

প্রচলিত ধারায় নয়, সত্যই লক্ষ্য

রাজনীতি

বিএনপির কাছে শতাধিক আসন চায় মিত্ররা, কোন দল কয়টি – Padmatimes24

: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। আসনভিত্তিক প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। এদিকে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্রদের নিয়েই এবার নির্বাচন করতে চায় দলটি। এজন্য সহযোগী দলগুলোর জন্য আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। ইতোমধ্যে শতাধিক আসন দাবি করেছে মিত্র দল ও জোটগুলো।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা গেছে, মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো তাদের সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা বিএনপির হাতে জমা দিয়েছে। কয়েকটি দল ইতোমধ্যে তালিকা দিয়েছে, আরও কয়েকটি শিগগিরই দেবে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, তারা প্রায় ১৫টি আসন চেয়েছেন। গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরীও তাঁর দলের জন্য ১৫টি আসন, যার মধ্যে ঢাকা-৬ রয়েছে, দাবি করেছেন।

অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চ বিএনপির কাছে অর্ধশতাধিক আসন চাইবে বলে জানা গেছে। শনিবার অভ্যন্তরীণ বৈঠকে মঞ্চের নেতারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা তৈরিতে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন। আজই তাদের তালিকা প্রস্তুত হওয়ার কথা।

এছাড়া ১২ দলীয় জোট চেয়েছে ২০টি আসন, আর জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট দাবি করেছে ৯টি আসন।

প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী-

নড়াইল-২: ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (এনপিপি চেয়ারম্যান)

কিশোরগঞ্জ-২: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা (এনপিপি মহাসচিব)

বগুড়া-১: খন্দকার লুৎফর (জাগপা)

চট্টগ্রাম-১: এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী (গণদল)

মানিকগঞ্জ-১: ডা. সৈয়দ নূরুল ইসলাম (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল)

ঢাকা-১৭: ব্যারিস্টার নাসিম খান (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ)

বাগেরহাট-১: এসএম শাহাদাত (বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি)

দিনাজপুর-২: মাহবুব আলম (ডেমোক্রেটিক লীগ)

ফেনী-৩: আব্দুল্লাহ আল হারুন (এনডিপি)

এছাড়া আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের তালিকা বিএনপির হাতে এসেছে। তবে কৌশলগত কারণে অনেক দল এখনই প্রকাশ্যে আসতে চায় না। কয়েকটি দল তাদের তালিকা প্রস্তুত করতেও কিছুটা সময় নিচ্ছে।

মিত্রদের কতটি আসন দেওয়া হবে-এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন,

“বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা চলছে।”

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য একক প্রার্থীদের প্রথমে অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে। তারা মাঠে প্রচার-প্রচারণা চালাবেন। অন্য প্রার্থীরাও তাদের পক্ষে কাজ করবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি কঠোর নজরদারিতে থাকবে। তফসিল ঘোষণার পর দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড চূড়ান্তভাবে প্রার্থিতা নির্ধারণ করবে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *