আস্থায় বাংলা

প্রচলিত ধারায় নয়, সত্যই লক্ষ্য

রাজনীতি

ভবনের সিঁড়িতে পড়ে ছিল ছাত্রদল নেতার রক্তাক্ত লাশ – Padmatimes24

: পুরান ঢাকার আরমানিটোলার একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের নেতা জোবায়েদ হোসেনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জোবায়েদ যে বাসায় টিউশনি করতেন, সেখানকার সিঁড়িতে তার লাশ পাওয়া যায়।”

নিহত জোবায়েদ হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র সমিতির সভাপতি ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “মৃত্যুর খবর শুনেছি। এখনো কারণ জানা যায়নি। খুবই বেদনাদায়ক এটি। পুলিশকে সব সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে বলেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।”

ঘটনার পর আরমানিটোলার ওই ভবনের সামনে জড়ো হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সেখানে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি জানান।

জগন্নাথ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদার বলেন, “আমরা এসে দেখি আরমানিটোলার নূর বক্স লেনের একটি বাসার তিন তলার সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। নিচতলা থেকে তিনতলা পর্যন্ত রক্তে মাখামাখি অবস্থা।

“এত বড় ঘটনা ঘটলেও ভবনের কোনো ভাড়াটে কিছু বলতে পারছেন না। আমরা মনে করি, এটি পরিকল্পিত হত্যা। তাকে ডেকে এনে এখানে খুন করা হয়েছে। আমরা দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুন্না বলেন, “জোবায়েদ এই ভবনের পাঁচতলায় এক ছাত্রীকে পড়াতেন। ধারণা করা হচ্ছে, এখানেই তাকে পিটিয়ে বা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বাড়ির কেউ কিছু জানে না, এটি খুবই রহস্যজনক।

“ভবনে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। তবে পাশের বাড়ির ক্যামেরায় পেছন থেকে দুইজনকে দৌড়াতে দেখা গেছে।”

ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *