
: বিএনপি দুইশ ৩৮টি আসনে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ধানের শীষ প্রাপ্ত প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করলেও কিছু আসনে তীব্র কোন্দল দেখা দিয়েছে। মনোনয়নবঞ্চিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রার্থীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করছে দল।
একাধিক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠ ছাড়েননি, যা টানাপোড়েন তৈরি করেছে। বিএনপি হাইকমান্ড প্রার্থী ও স্থানীয় নেতাদের কার্যক্রম যাচাই করে সম্ভাব্য পরিবর্তনও করতে পারে।
অধিকাংশ প্রতিবেদক ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত ২৩৭টি আসনের মধ্যে অন্তত ২৩টিতে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। এসব আসনে মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। পুনর্মূল্যায়ন না হলে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ফাঁকা ৬৩ আসনের মধ্যে অনেক স্থানে মিত্রদের ছাড় দেওয়া হতে পারে। চলতি মাসের শেষ দিকে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মিত্র দলের নেতাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠক হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, ক্ষোভ আছে এমন আসনগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফাঁকা আসন সব মিত্রদের জন্য নয়। দলীয় আসনে কয়েক দিনের মধ্যে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
বিক্ষোভ ও মনোনয়নবঞ্চিতদের দাবি:
সাতক্ষীরা-২: আবদুর রউফের মনোনয়ন বাতিল ও আব্দুল আলিমকে প্রার্থী করার দাবিতে মশাল মিছিল।
সাতক্ষীরা-৩: সাবেক সংসদ-সদস্য কাজী আলাউদ্দীনকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ।
ময়মনসিংহ-৩: মনোনয়নপ্রাপ্ত এম ইকবাল হোসেইন ও মনোনয়নবঞ্চিত আহম্মেদ তায়েবুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, সিলেট-৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: প্রার্থী পুনর্বিবেচনার দাবিতে বিক্ষোভ।
ময়মনসিংহ-৬, হবিগঞ্জ-৪, রংপুর-৩, কক্সবাজার-৪: স্থানীয় নেতাকর্মীদের গণমিছিল ও বিক্ষোভ।
নাটোর-১, নারায়ণগঞ্জ-২, মেহেরপুর-২, চট্টগ্রাম-৪, চট্টগ্রাম-২, নরসিংদী-৪, মুন্সীগঞ্জ-২: মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন।
এছাড়া চট্টগ্রাম-১৬, নোয়াখালী-৫, ঠাকুরগাঁও-৩, রাজশাহী-৪ ও ৫ সহ কয়েকটি আসনে মনোনয়ন নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। হাইকমান্ড এসব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেবে।
ফাঁকা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা:
ঢাকা-৯, ঢাকা-১৮, ঢাকা-২০, মাদারীপুর-২, গাজীপুর-১, টাঙ্গাইল-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, ঝিনাইদহ-৪, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে।




