
: নোয়াখালী সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেম বাজার জামে মসজিদে অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও যুবদলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সুধারাম মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।”
আহতদের নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার আছরের নামাজের পর ছাত্রশিবির মসজিদে কোরআন শিক্ষার আয়োজন করে। এ নিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন আপত্তি তোলায় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
রোববার দুপুরে হামলার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে ছাত্রশিবির। বিকালে সংগঠনটি একই মসজিদে ‘দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতা’ আয়োজনের ঘোষণা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষের পর ছাত্রশিবির কর্মীরা মসজিদের ভেতরে এবং যুবদল কর্মীরা বাইরে অবস্থান নেয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান আরমান বলেন, “শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যুবদল কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের ভাইয়েরা আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।”
অন্যদিকে নেয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল বলেন, “নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ছাত্রশিবির আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে যুবদলের আহ্বায়ক ফারুকের দুই ভাইসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।”
ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।”




