আস্থায় বাংলা

প্রচলিত ধারায় নয়, সত্যই লক্ষ্য

রাজনীতি

সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এখন এনসিপির জেলা সদস্য সচিব!

: রংপুরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরশাদ হোসেনকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ঘোষিত ৭০ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে তার নাম সদস্য সচিব হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

এরশাদ হোসেন রংপুর মহানগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত—এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম।
তবে নিজেকে সরকারি বিদ্যালয়ে কর্মরত নয় বলে দাবি করেছেন এরশাদ। তার ভাষায়- “আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত না, হাইস্কুল শাখায় আছি। বিষয়টি নিয়ে পরে কথা বলব।”

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হন এরশাদ হোসেন। দলটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকে তিনি নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

সরকারি চাকরি ও রাজনীতির প্রশ্ন

সরকারি চাকরিজীবী হয়েও রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন- “যদি কেউ তথ্য গোপন করে কিংবা আইন লঙ্ঘন করে কোনো কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকে, তবে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সাদিয়া ফারজানা দিনা বলেন-
“আমি জেলা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলাম না। দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন আসাদুল্লাহ আল গালিব। তিনি কাজ করেছেন তার সাইড থেকে।”
তবে গালিবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

২ ডিসেম্বর রাতে এনসিপির ফেসবুক পেজে রংপুর জেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

আল-মামুন-আহ্বায়ক

এরশাদ হোসেন-সদস্য সচিব

এর পাশাপাশি একই দিনে রংপুর মহানগর কমিটিও ঘোষণা করা হয়-

আবু হাসান চঞ্চল-আহ্বায়ক

আব্দুল মালেক-সদস্য সচিব

দুটি কমিটিই আগামী ছয় মাসের জন্য অনুমোদন করেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *