
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনীতিতে পেশীশক্তি, কালো টাকা ও দুর্বৃত্তায়ন রোধে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি উঠেছে। শনিবার সকালে রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এই মত দেন।
রাজশাহী মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন ও জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি’ বিষয়ক বৈঠকে বিভিন্ন পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, বর্তমানে প্রচলিত “ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট” পদ্ধতিতে ভোটের সঠিক প্রতিফলন সংসদে হয় না। একজন প্রার্থী অল্প ভোটে জয়ী হলেও অধিকাংশ ভোটারের মতামত অগ্রাহ্য হয়। ফলে গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ব্যাহত হয়। অন্যদিকে, পিআর পদ্ধতিতে প্রতিটি দলের ভোটের অনুপাতে সংসদে আসন বণ্টন হয়, যা ছোট দল, নারী, সংখ্যালঘু ও নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগর আমীর ড. মাওলানা কেরামত আলী। যৌথ সঞ্চালনা করেন মহানগর সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহাদৎ হোসাইন ও অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুল।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর নায়েবে আমীর এ্যাড. আবু সেলিম, রাজশাহী সদর-২ আসনের প্রার্থী ডা. মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর, রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক সরদার আব্দুর রহমান, সাহিত্যিক ডা. নাজিব ওয়াদুদ, অধ্যাপক ফাতেমা সিদ্দিকা, ডা. একেএম মহিউদ্দিন, প্রফেসর ইসমত আরা বেগম, ডা. হাসানুজ্জামান, প্রফেসর জে এ এম সকিলওর রহমান, প্রফেসর ড. কামরুল আহসান, এবং এ্যাড. হাসানুল বান্না সোহাগ।
বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতির বাস্তবায়ন হলে গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্ত হবে, এবং সমাজের সব শ্রেণির কণ্ঠ সংসদে প্রতিফলিত হবে।




